dr-helal-logo

অ্যাডভোকেট ড. মো. হেলাল উদ্দিন: জনসেবায় নিবেদিত এক নেতৃত্ব

অ্যাডভোকেট ড. মো. হেলাল উদ্দিন একজন বিশিষ্ঠ আইনজীবি, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক, সংগঠক ও রাজনীতিবিদ। তিনি ঢাকা-৮ (শাহবাগ, রমনা, পল্টন, মতিঝিল ও শাহজাহানপুর) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর। তিনি রাজধানী উন্নয়ন ফোরাম, ঢাকার চেয়ারম্যানসহ অসংখ্য সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে বেড়ে ওঠা ড. মো: হেলাল উদ্দিন ঢাকা-৮ আসনের মানুষের কাছে পরিচিত এক পরীক্ষিত কণ্ঠস্বর, যিনি রাজপথে, আদালতে এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে যাচ্ছেন ন্যায়, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে। জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা তাকে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে।

অ্যাডভোকেট ড. মো. হেলাল উদ্দিন: জনসেবায় নিবেদিত এক নেতৃত্ব

পারিবারিক জীবন

ড. মো. হেলাল উদ্দিন ১৯৭৭ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার সিমলা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলহাজ্ব মো. হাবিবর রহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট আলেম, প্রধান শিক্ষক ও সমাজসেবক এবং মাতা মরহুমা হাসিনা বেগম ছিলেন শিক্ষানুরাগী গৃহিণী। মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি মাতৃহারা হন। দশ ভাই-বোনের মধ্যে তার অবস্থান তৃতীয়। দাদা আলহাজ্ব মোহাম্মদ জোনাব আলী ছিলেন একজন সুফি সাধক ও ইসলাম প্রচারক। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ও তিন পুত্র এবং এক কন্যার জনক। তাঁর প্রথম স্ত্রী সৈয়দা তানজিলা আফরুজ ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরিবারসহ বর্তমানে ঢাকার মৌচাক এলাকায় বসবাস করছেন।

শিক্ষাজীবন

ড. হেলাল উদ্দিনের শিক্ষাজীবনের শুরু পিতার হাতেই। তিনি বিনায়েকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ১৯৯০ সালে গয়হাট্টা সালেহা ইসহাক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে লেটার মার্কসহ প্রথম শ্রেণীতে এসএসসি এবং ১৯৯২ সালে সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া থেকে এইচএসসি পাস করেন। উচ্চশিক্ষায় তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে বিএসসি (সম্মান) (১৯৯৬) ও এমএসসি (১৯৯৭) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে আইন পেশায় প্রবেশের লক্ষ্যে ২০০৫ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। একাডেমিক জীবনের সর্বোচ্চ সাফল্য আসে ২০১৪ সালে, যখন তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট থেকে পরিবেশ আইনে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল: “Present Status and Impact of Biodiversity Conservation on Environmental Laws in Bangladesh”।

কর্মজীবন

পেশাগত জীবনে তিনি একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে ড. মো: হেলাল উদ্দিন ঢাকা জজ কোর্টে সিনিয়র প্র্যাকটিশনার। তিনি ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং ইবনে সিনা ট্রাস্টের আইন উপদেষ্টা। তিনি বহু বছর ধরে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছেন। আইন পেশার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ট্রাস্টের পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

তিনি রাজধানী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, দারুল ইসলাম ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান, ফালাহ-ই-আম ট্রাস্টের কার্যনির্বাহী সদস্য, ‘দৈনিক সংগ্রাম’ পত্রিকার পরিচালনা পর্ষদ সদস্য, বাংলাদেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেড ও কো-অপারেটিভ বুক সোসাইটির পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে তিনি তরুণদের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন।

সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক জীবন

ছাত্রজীবন থেকেই দেশ ও ইসলামের পক্ষে ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে ড. মো: হেলাল উদ্দিন ১৯৮৯ সালে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরে যোগ দিয়ে পর্যায়ক্রমে সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি, কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক সহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সালে ছাত্রজীবন শেষে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন এবং ধানমন্ডি ইউনিটের দায়িত্ব থেকে শুরু করে ওয়ার্ড সভাপতি, শাহবাগ থানা আমীর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি, ভারপ্রাপ্ত আমীর ইত্যাদি সহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে তার দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও যুলুম-নির্যাতনের শিকার

ড. মো: হেলাল উদ্দিন তাঁর সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনে বারবার রাষ্ট্রীয় জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ছাত্রজীবনে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি যৌক্তিক রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে তিনি সরব অংশগ্রহণ করেছেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৯৪–৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে, ২০০৪ সালে জঙ্গিবাদবিরোধী আন্দোলনে, আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা তাণ্ডবের বিচারের দাবিতে, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ প্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠু নির্বাচন ও ভোটাধিকারের দাবি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলন, ইসলামবিরোধী শাহবাগী নাস্তিক চক্র ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের বিচারিক হত্যার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলন, ২০১৮ ও ২০২৪ কোটা আন্দোলনসহ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী রেজিমের পতনের গণআন্দোলনে তিনি ছিলেন সক্রিয় ও সোচ্চার এক কণ্ঠ।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে বহুবার গ্রেফতার, রিমান্ড ও কারাবরণ সহ্য করতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০১২ সালের ২০ নভেম্বর পুলিশের গুলিতে তার তলপেট বিদীর্ণ হলেও তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। ২০১৩ সালে বিনা পরোয়ানায় আটক হয়ে কার্যত গুমের শিকার হন এবং শারীরিক-মানসিক নির্যাতন সহ্য করেন। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাকে একাধিকবার আটক ও রিমান্ডে নেওয়া হয়।

গুলিবিদ্ধ হওয়া, নির্যাতন, মিথ্যা মামলা ও কারাবরণের মতো ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরও তিনি তার আদর্শ ও সংগ্রামের পথ থেকে সরে আসেননি। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের দাবিতে তিনি অটল ও অবিচল থেকেছেন।

সমাজকল্যাণে অবদান

ড. মো: হেলাল উদ্দিন ছাত্রজীবন থেকেই সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। তিনি নিজ গ্রামে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং বর্তমানে পল্টন কলেজ ও মেসবাউল উলুম কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তিনি ‘স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে অসহায় শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, বই বিতরণ ও নানা সহায়তা প্রদান করেছেন। পাশাপাশি কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন ও ইসলামিক হেরিটেজ ফাউন্ডেশনসহ একাধিক সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

তিনি রাজধানী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, দারুল ইসলাম ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান, দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার পরিচালনা পর্ষদ সদস্য ও ঢাকাস্থ সিরাজগঞ্জ ফোরামের আহ্বায়ক হিসেবে সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান, ত্রাণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, বৃক্ষরোপণ, খাল পরিষ্কার, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতাসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে করোনাকালে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা, বস্তিবাসী ও বন্যার্তদের সহযোগিতা, তরুণদের খেলাধুলা আয়োজন, মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধ, রাস্তা সংস্কার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি তিনি ‘জুলাই অভ্যুত্থানের’ শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং তাদের আর্থিকসহ নানাভাবে সহায়তা প্রদান করছেন।

এক কথায়, ড. মো: হেলাল উদ্দিন কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক ও সংগঠক, যিনি সর্বদা ঢাকা-৮ আসনের মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে রেখেছেন।

জুলাই বিপ্লবে ভূমিকা

২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবে (ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান) অ্যাডভোকেট ড. মো: হেলাল উদ্দিন ঢাকার রাজনৈতিক সংগঠকদের মধ্যে একজন হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান পরিকল্পনা থেকে শুরু করে এটির বাস্তবায়নে ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তিনি আন্দোলনকে সুসংহত রূপ দিতে তিনি ১৬ জুলাই থেকে রাজপথে সরাসরি অংশগ্রহন করেন এবং জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য হিসেবে দলের তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করেন। ২৩ জুলাই থেকে তাঁকে গ্রেফতারের একাধিক প্রচেষ্টা চালানো হয়। তিনি এই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পল্টন, মতিঝিল ও শাহবাগ এলাকায় সম্মুখভাগে থেকে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেন যা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে চূড়ান্ত সফলতার দিকে নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে তিনি নিয়মিতভাবে জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ, মতবিনিময় ও আর্থিক সহায়তার সাথে জড়িত যা বিপ্লব এবং নতুন বাংলাদেশের প্রতি তার কমিটমেন্টকে তুলে ধরে।

একটি সমৃদ্ধ ও জনবান্ধব ঢাকা-৮ এর স্বপ্নদ্রষ্টা

অ্যাডভোকেট ড. মো: হেলাল উদ্দিন তার দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, জুলাই বিপ্লবে তার সাহসী ভূমিকা এবং ধারাবাহিক জনসেবামূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। সিরাজগঞ্জের সন্তান হলেও, দীর্ঘদিন ধরে পল্টন ও মৌচাক এলাকার বাসিন্দা হিসেবে তিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথে মিশে গেছেন। তিনি একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে দুর্নীতি ও বৈষম্য থাকবে না এবং শিক্ষা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। অ্যাডভোকেট ড. মো: হেলাল উদ্দিন ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে আপনাদের দোয়া ও মূল্যবান ভোট নিয়ে ঢাকা-৮ আসনাধীন শাহবাগ, রমনা, পল্টন, মতিঝিল ও শাহজাহানপুর কে একটি উন্নত, কল্যাণময়, সমৃদ্ধ, মানবিক ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে সেবক হিসেবে কাজ করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।