উন্নত, নিরাপদ ও মানবিক ঢাকা-৮: ড. মো: হেলাল উদ্দিনের ভিশন
“সবার জন্য শিক্ষা, কর্মসংস্থান, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নত, নিরাপদ, পরিবেশ ও জনবান্ধব মানবিক ঢাকা-৮”
অ্যাডভোকেট ড. মো: হেলাল উদ্দিন মনে করেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার যে প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান সেই অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের একটি নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। ঢাকা-৮ আসন (মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর) কে তিনি একটি বিশ্বমানের, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন এবং গতিশীল নগর কেন্দ্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেন। তাঁর স্বপ্ন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্রস্থল এই এলাকাকে একটি বিশ্বমানের ‘সেন্ট্রাল বিজনেস, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ও কালচারাল ডিস্ট্রিক্ট’-এ রূপান্তরিত করা। তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ঢাকা-৮ গড়তে চান যেখানে সবার জন্য শিক্ষা, কর্মসংস্থান, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে। সে লক্ষে আমাদের প্রাণের ঢাকা-৮ নিয়ে উনার ভিশন নিম্নরুপ:
নিরাপদ, পরিবেশ ও জনবান্ধব মানবিক ঢাকা
১. সবার জন্য দুর্নীতিমুক্ত বৈষম্যহীন সুশাসন ও কার্যকর সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব
- সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও বৈষম্য নির্মূল করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নাগরিকবান্ধব প্রশাসন নিশ্চিত করা।
- জাতীয় সংসদে স্মার্ট, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর গঠন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতি/আইন প্রণয়নসহ নাগরিকদের দাবি ও সমস্যার প্রতিনিধিত্ব।
- নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে সকলের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা।
- ডিজিটাল পদ্ধতি বাস্তবায়ন ও সরকারি সেবাকে আধুনিকীকরণের মাধ্যমে নাগরিক সেবা সহজীকরণ।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্রস্থল এই এলাকাকে বিশ্বমানের 'সেন্ট্রাল বিজনেস, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ও কালচারাল ডিস্ট্রিক্ট'-এ রূপান্তর করা।
- সার্বক্ষণিক গণসংযোগ কার্যালয় স্থাপন, বার্ষিক ‘পাবলিক রিপোর্ট কার্ড’ প্রকাশ এবং ছয় মাস অন্তর ‘টাউন হল মিটিং’ আয়োজন করা।
২. সবার জন্য নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা
- সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করা।
- মতিঝিলের ব্যাংকপাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সিসিটিভির আওতায় আনা এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ডিজিটাল মনিটরিংসহ পুলিশ বুথ স্থাপন ও কমিউনিটি প্যাট্রোলিং জোরদার করা।
- নারী-শিশুর নিরাপত্তা, বাক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- অসহায়, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, সিনিয়র সিটিজেন, নারী, শিশু, সংখ্যালঘু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনামূল্যে বা সুলভ স্বাস্থ্যসেবা এবং বিশেষ ভাতা ও অগ্রাধিকার সেবা চালু করে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা।
৩. সবার জন্য উন্নত অবকাঠামো, সংযোগ ও নাগরিক সুবিধার সবুজ শহর
- যানজট নিরসনে ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, মেট্রোরেল সংযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট ট্র্যাফিক সিগন্যাল ও মেট্রো স্টেশনকেন্দ্রিক পরিবহন হাব তৈরি।
- জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল উদ্ধার, খনন এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা স্থাপন।
- নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা, সুলভ ইন্টারনেট এবং নারী ও প্রতিবন্ধীবান্ধব আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ।
- বহুতল ও আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং সুবিধা।
- ফুটপাত সংস্কার, নিয়ন্ত্রিত হকার জোন ও প্রশস্ত পথ, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য ট্যাকটাইল পথ ও র্যাম্প।
- রাতে সংগ্রহ ও ইনসিনারেশন/বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাইসহ আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।
- দুর্যোগ প্রস্তুতির জন্য অগ্নিনির্বাপণ অডিট ও মহড়া আয়োজন।
- নারীর জন্য পরিবহন সুবিধার সম্প্রসারণ ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- পার্ক, খেলার মাঠ, কবরস্থান ও নিরাপদ আবাসনসহ নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ।
- পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ, “ভার্টিকাল গার্ডেন”, “পকেট পার্ক”, ছাদ-বাগান এবং পরিবেশবান্ধব আবাসন এলাকা উন্নয়ন।
- ছাদ-বাগান ও সোলার প্যানেল ব্যবহারে প্রণোদনা।
- মশক নিধনে কার্যকর পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা।
৪. সবার জন্য শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন
- মানসম্মত শিক্ষা ও ১০০% সাক্ষরতা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষা ব্যয় কমিয়ে সকলের জন্য উন্নত, নৈতিক ও সুলভ শিক্ষা নিশ্চিত করা।
- সকল স্কুল হবে ডিজিটাল সুবিধাযুক্ত স্মার্ট স্কুল।
- তরুণদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজাইন, স্থাপত্যসহ কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং ‘ওয়ান-ফর-অল’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারে অন্তত একজন দক্ষ সদস্য গড়ে তোলা।
- নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।
- মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য 'গ্লোবাল ট্যালেন্ট প্রোগ্রাম' ও উচ্চশিক্ষা সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বৃত্তির তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন।
- শাহবাগ, পাবলিক লাইব্রেরি ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চগতির বিনামূল্যে ইন্টারনেট জোন তৈরি।
৫. সবার জন্য কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
- নতুন হাইটেক পার্ক তৈরি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং তরুণদের জন্য স্টার্টআপ ফান্ড তৈরি করে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- চাঁদাবাজিমুক্ত স্বাধীন ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিত করা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও বিনিয়োগ উৎসাহিত করণ এবং ট্রেড লাইসেন্সসহ বাণিজ্যিক অনুমতিপত্রের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার’ স্থাপন।
- হকারদের নির্দিষ্ট স্থানে নিবন্ধনের মাধ্যমে আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত ভেন্ডিং কার্ট দিয়ে পুনর্বাসন।
- মতিঝিল এলাকায় রাতেও কর্মচঞ্চল রাখার জন্য নিরাপদ “নাইট মার্কেট” ও ফুড কোর্ট চালু।
- শ্রম আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বাজার মনিটরিং জোরদার।
- ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও হস্তশিল্পীদের জন্য সহায়তা কর্মসূচি।
- নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ঋণ ও প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ।
৬. সবার জন্য সহজ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা
- প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কম খরচে চিকিৎসা এবং বিনামূল্যে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন।
- আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)
- ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও শয্যা বৃদ্ধি।
- ২৪/৭ জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা চালু এবং সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়ন।
- মাতৃত্বকালীন সেবা ও শিশুদের পুষ্টি কর্মসূচি সম্প্রসারণ।
৭. সবার জন্য সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পর্যটন
- বায়তুল মোকাররম, রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে কেন্দ্র করে সমন্বিত “হেরিটেজ ট্যুরিস্ট জোন” গড়ে তোলা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাহবাগ-রমনা-শিল্পকলা একাডেমি এলাকা “এডুকেশন এন্ড কালচারাল করিডোর” হিসেবে গড়ে তোলা ও কালচারাল হাব হিসেবে উন্নয়ন করা।
- পথনাটক, আর্ট এক্সিবিশন, বইমেলা ও নিয়মিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আয়োজন।
- জাতীয় জাদুঘর, লাইব্রেরি, বিশ্ববিদ্যালয় ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার আধুনিকায়ন।
- এলাকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়ন ও সংস্কার।
- পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো, হোটেল-রেস্ট হাউস ও তথ্যকেন্দ্র স্থাপন।
- শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র বৃদ্ধি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা।
- শাহবাগ, রমনা ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে রূপান্তর।
আমার স্বপ্ন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্রস্থল এই এলাকাকে একটি বিশ্বমানের ‘সেন্ট্রাল বিজনেস, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ও কালচারাল ডিস্ট্রিক্ট’-এ রূপান্তরিত করা। জাতীয় সংসদে আমি এমন নীতি প্রণয়নে নেতৃত্ব দেব যা ঢাকাকে একটি স্মার্ট, নিরাপদ ও বাসযোগ্য মহানগরী হিসেবে গড়ে তুলবে এবং এর সুফল আমার নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি নাগরিক ভোগ করবে।
নির্বাচনী এলাকার জন্য আমার অঙ্গীকার
আমি সরাসরি নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে না পারলেও, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমার ক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার করে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিশ্চিত করব:
১. যানজট নিরসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন:
- সমন্বয়ের উদ্যোগ: সিটি কর্পোরেশন, ডিএমপি ট্র্যাফিক এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে নিয়ে একটি "এলাকাভিত্তিক ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট টাস্কফোর্স" গঠনে উদ্যোগ নেব এবং এর নিয়মিত সভায় সভাপতিত্ব করব।
- প্রকল্পের তদবির: মতিঝিলে প্রস্তাবিত বহুতল কার পার্কিং প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ব্যক্তিগতভাবে তদবির করে বাজেট ছাড় করাব। শাহবাগ ইন্টারসেকশনকে যানজটমুক্ত করতে একটি আধুনিক আন্ডারপাস বা লুপ নির্মাণের প্রকল্পটি সরকারের মেগা প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংসদে প্রস্তাব রাখব।
২. নিরাপত্তা ও নাগরিক স্বস্তি:
- নিরাপত্তা জোরদার: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে মতিঝিলের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বলয় এবং শাহবাগ-পল্টন এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি আধুনিক নীতিমালা প্রণয়নের জন্য চাপ প্রয়োগ করব।
- হকার পুনর্বাসন: হকারদের উচ্ছেদ না করে, তাদের জন্য একটি টেকসই পুনর্বাসন মডেল (যেমন: নির্দিষ্ট স্থানে সান্ধ্যকালীন বাজার, সহজ শর্তে ক্ষুদ্রঋণ) তৈরির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশনকে সাথে নিয়ে একটি পাইলট প্রকল্প আমার এলাকায় চালুর উদ্যোগ নেব।
৩. শিক্ষা, সংস্কৃতি ও স্বাস্থ্যসেবা:
- শাহবাগ সাংস্কৃতিক বলয়: শাহবাগকে কেন্দ্র করে জাদুঘর, লাইব্রেরি ও শিল্পকলা একাডেমির সমন্বয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের "সাংস্কৃতিক হাব" তৈরির জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে একটি বিশদ প্রকল্প প্রস্তাব জমা দেব এবং তা বাস্তবায়নে লেগে থাকব।
- স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU) এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আধুনিকায়নের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখব, যাতে আমার এলাকার মানুষ সহজে উন্নত চিকিৎসা সেবা পায়।
- বায়তুল মোকাররম, রমনা ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে কেন্দ্র করে ‘হেরিটেজ ট্যুরিস্ট জোন’ গড়ে তোলা হবে।
৪. সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও জবাবদিহিতা:
- এমপি'র কার্যালয়: এলাকায় একটি সার্বক্ষণিক গণসংযোগ কার্যালয় স্থাপন করব, যেখানে মানুষ সরাসরি তাদের সমস্যা নিয়ে আসতে পারবে।
- ডিজিটাল রিপোর্ট কার্ড: প্রতি বছর আমি জাতীয় সংসদে আমার কার্যক্রম এবং এলাকার উন্নয়নে আমার ভূমিকা নিয়ে একটি "পাবলিক রিপোর্ট কার্ড" প্রকাশ করব।
টাউন হল মিটিং: প্রতি ছয় মাসে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনার জন্য "টাউন হল মিটিং"-এর আয়োজন করব।